
মাধব দেবনাথ,নদিয়া: মাটির তলা থেকে লোহার বাঙ্কার উদ্ধারের ঘটনায় রবিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে গেলেন এনসিপি এজেন্সির দুই প্রতিনিধি দল। সাথে ছিলেন ৩২ নম্বর ব্যাটেলিয়নের বিএসএফের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। উল্লেখ্য, গত দুদিন আগে নদীয়ার কৃষ্ণগঞ্জ বিধানসভার ভারত বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মাজদিয়ার একটি আমবাগানের ভেতরে চারটি লোহার বাঙ্কার উদ্ধার করে বিএসএফ, এরপরেই শোরগোল পড়ে যায় গোটা জেলা জুড়ে। আন্তর্জাতিক মহলেও চর্চার বিষয় হয়ে ওঠে। এবার সেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে গেলেন কেন্দ্রীয় এজেন্সি এনসিপির দুই প্রতিনিধি দল। সংগ্রহ করেন পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য, সীমান্তবর্তী এলাকায় বসবাসকারী মানুষের সাথে কথা বলেন তথ্য সংগ্রহের জন্য, এরপর তারা বেরিয়ে যান। স্বভাবতই এই ঘটনায় রাতের ঘুম উরেছে সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের মধ্যে, কারণ মাটির তলায় যেভাবে বাঙ্কার গুলি তৈরি করা হয়েছিল যা দেখে শিউরে ওঠার মতো ঘটনা।
গ্রাম বাসীদের দাবি, বাংলাদেশের পাচারকারীরা ভারতের অসাধু ব্যবসায়ীদের সাথে একত্রিত হয়ে এই বাঙ্কার তৈরি করেছিল, যেখান থেকে উদ্ধার হয় লক্ষ লক্ষ নিষিদ্ধ কাশির সিরাপ। বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলের দাবি, শুধু পাচারকারীদের এই নিষিদ্ধ কাশির সিরাপ জড়ো করার উদ্দেশ্য ছিল না, ছিল বড়োসড়ো নাশকতার ছক। বর্তমানে বাংলাদেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে মাঝেমধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে এই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের সীমান্তগুলি, শান্ত ভারতকে অশান্ত করতে নতুন চক্রান্ত করার উদ্দেশ্য ছিল দুষ্কৃতীদের। যার অনেকটাই প্রভাব ফেলার চেষ্টা করছে নদীয়ার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তেও।